Home / নারী স্বাস্থ্য / স্তনের নিচে ঘামাচি বা লাল দাগ হওয়ার কারণ

স্তনের নিচে ঘামাচি বা লাল দাগ হওয়ার কারণ

স্তনের নিচে ঘামাচি বা লাল দাগ হওয়ার কারণ। অনেক নারীর স্তনের নিচের অংশে দানা বা ঘামাচির মতো ওঠে। বেশ চুলকায়। আবার অনেক সময় ছোপ ছোপ লাগ দাগও দেখা যায়। কেন এমন হয়? আজ আমরা একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছ থেকে এ সম্পর্কে জানব। এনটিভির নিয়মিত স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান স্বাস্থ্য প্রতিদিনের একটি পর্বে স্তনের নিচের অংশে ঘামাচি সম্পর্কে বলেছেন ইউএস বাংলা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মেহরান হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডা. মুনা তাহসিন।স্তনের নিচে ঘামাচি

স্তনের নিচে ঘামাচি বা লাল দাগ হওয়ার কারণ

স্তনের নিচের অংশে অনেক নারীর ঘামাচির মতো দেখা যায়। বেশ চুলকায়। এ নিয়ে অনেকে কষ্ট পাচ্ছেন। এটি কী ধরনের সমস্যা হতে পারে, সঞ্চালকের এ প্রশ্নের জবাবে ডা. মেহরান হোসেন বলেন, ঘামাচিকে আমরা ডার্মাটোলজিতে বলি মিলিয়েরিয়া। মিলিয়েরিয়া হয় তিন-চার রকম। যেমন মিরিয়েরিয়া প্রোফান্ডা, মিলিয়েরিয়া ক্রিস্টেলিনা। ক্রিস্টেলিনাটা বেশি হয়, দানা দানা। এ ক্ষেত্রে খুব কমন একটা অ্যাডভাইজ হচ্ছে, যত লুজ কাপড় পরা যায় এবং কালারফুল না; সাদা কাপড়। আমরা জানি, সাদা কাপড় হিট কম অ্যাবজর্ব করে। হালকা রঙের কাপড়। আরেকটা হচ্ছে, বাচ্চা বা বড় হই, আমরা সবাই পাউডার ইউস করব। সেটা হচ্ছে পিকলি হিট পাউডার।

ডা. মেহরান হোসেন বলেন, আমরা অনেক সময় মনে করি, পাউডারের কী ভূমিকা থাকতে পারে। এ ধরনের পিকলি হিট পাউডার মিলিয়েরিয়া বা ঘামাচি প্রিভেন্ট করার জন্য অনেক হেল্পফুল। আর যদি ইচিং হয়, আমরা সাধারণত অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় টপিক্যাল যে জিনিসগুলো আছে বা মাইল্ড স্টেরয়েড দিয়ে থাকি। আর দেখা যাচ্ছে যে বাচ্চাদের জন্য, অনেক সময় প্রেগন্যান্ট মহিলাদের জন্য এ ধরনের প্রবলেম হলে আমরা ক্যালামিন লোশন খুব কমনলি ইউস করে থাকি। ক্যালামিন লোশন কিন্তু মিলিয়েরিয়া বা ঘামাচির জন্য খুবই ইউসফুল একটা ট্রিটমেন্ট অপশন। এটা আপনাকে ওই জায়গায় ইচিং অনেকটা কমিয়ে দেবে এবং ঘামাচিটাও আস্তে আস্তে সারিয়ে তুলবে।

নখ (Nail) ব্যবহার করে চুলকানোর প্রবণতা কিন্তু কমবেশি সবারই আছে। কারণ, যখন ইচিং স্টিমুলেশনটা আমাদের বডিতে বা এই সেনসেশনটা আমরা অনুভব করি, তখন অনেকেই এটিকে আর প্রিভেন্ট করতে পারেন না। তাঁরা নখ দিয়ে হোক, যে কোনও শার্প ম্যাটেরিয়াল দিয়ে হোক, সেটিকে চুলকানোর চেষ্টা করেন। তো এটা করা যাবে কি না বা এ থেকে কী ধরনের সমস্যা হতে পারে, সঞ্চালকের এ প্রশ্নের জবাবে ডা. মেহরান হোসেন বলেন, এটা আসলে করাটা উচিত না। যেহেতু হাত আমাদের ভলান্টারি অরগান, তাই আমরা চেষ্টা করব ইচিংটা যাতে না হয়। সে ক্ষেত্রে প্রবলেমটা হয় কি, নখের আঁচড়ে বা খোঁচায় সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হয়, অনেক সময় ওই জায়গাটা ক্ষত হয়ে যায়।

সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কাছে কেমন লেগেছে এবং আপনার যদি কোনো প্রশ্ন অথবা মতামত থেকে থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আর আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে শেয়ার করুন। সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

Check Also

ওজন

ওজন কমানোর সহজ প্রাকৃতিক উপায়

ওজন কমানো আসলে খুব কঠিন কাজ নয়। একটু ইচ্ছে আর সামান্য ধৈর্য (Patience) থাকলেই তা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *